নিজস্ব প্রতিবেদক: 

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে জাপানি ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র মডার্ণ এডুকেশন সেন্টারের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

সৈকতের বালিয়াড়ি থেকে অন্তত ২০ বেগ আবর্জনা কুড়িয়েছে সেন্টারের শিক্ষার্থীরা। আর মহতি এই উদ্যোগের সারথি হতে পেরে উচ্ছাস প্রকাশ করেছে তারা।

রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে পৌঁছেন মডার্ণ এডুকেশন সেন্টারের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এরপর সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় মডার্ণ এডুকেশন সেন্টারের চেয়ারম্যান প্রফেসর সিরাজুল ইসলাম বলেন, জাপানের মত একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাষ্ট্র গড়তে চায় মডার্ণ এডুকেশন সেন্টার। ছাত্ররা চাইলেই তা সম্ভব। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের মত সারাদেশে অন্যান্য পর্যটন স্পটসমূহ এভাবে চায় তারা।

সমুদ্রসৈকত আমাদের সম্পদ। নিজেদের প্রয়োজনে সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখা দরকার মনে করেন মডার্ন এডুকেশন সেন্টারের উপদেষ্টা প্রফেসর জসিম উদ্দীন। তিনি বলেন, শুধু সমুদ্রসৈকত নয়, পরিবেশের ক্ষতি বা সৌন্দর্য নষ্ট হয় এমন কাজ না করা উচিত।

সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্নতা অভিযানের মাধ্যমে ল্যাংগুয়েজ সেন্টারের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা পর্যটক ও স্থানীয়দের মাঝে প্রশংসা কুড়িয়েছে বলে জানান কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহকারী পরিচালক (পিআর এন্ড মিডিয়া) ইমাম খাইর। বক্তব্য তিনি বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় স্থানীয় প্রশাসন যথেষ্ট আন্তরিক। ট্যুরিস্ট পুলিশের বেশ কয়েকটি টিম সারাক্ষণ সাগর পাড়ে দায়িত্ব পালন করে থাকে। যে কারণে স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটাতে পারি পর্যটকেরা। বালিয়াড়ির সৌন্দর্য রক্ষায় সবার আন্তরিকতা কামনা করেন তিনি।

সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্নতা অভিযানে মডার্ণ এডুকেশন সেন্টারের উপদেষ্টা প্রফেসর রুহুল আমিন, পরিচালক আনোয়ার হোসাইন, ব্যবস্থাপক সাইদুর রহমানসহ সেন্টারের প্রায় একশো শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

দেশ-বিদেশের নানা প্রান্ত থেকে পর্যটকরা বেড়াতে আসেন সমুদ্র সৈকতে। অনেকে জেনে-না জেনে খাবারের উচ্ছিষ্ট, আবর্জনা সাগর পাড়ে ফেলে চলে যায়। তাতে নষ্ট হচ্ছে সাগর তীরের পরিবেশ। এমন কাজ থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান মডার্ণ এডুকেশন সেন্টারের।